আলুর ফেসপ্যাক দিয়ে ব্লাকহেডস দূর করার সহজ উপায়

আমাদের মুখের সৌন্দর্য নষ্ট করতে ব্লাকহেডসই যথেষ্ট! এই ব্লাকহেডস দূর করতে স্ক্র্যাবিং, ফেসিয়াল, ক্লিনিং- কত কী না করা হয়। তবুও সমস্যা যেতে চায় না। ব্ল্যাকহেডসের (blackheads) এই সমস্যা পুরোপুরি দূর করতে পারে আলুর ব্যবহার। ত্বকের পরিচর্যায় আলু(potato অত্যন্ত কার্যকরী একটি উপাদান। বিশেষ করে ব্ল্যাকহেডসের (blackheads) সমস্যায় এটি বেশ কার্যকরী –

১টি মাঝারি মাপের আলু(potato, ১ চামচ অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার ও পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি নিন। এবার আলুটি ভালো করে ধুয়ে পরিষ্কার(clean) করে খোসা ছাড়িয়ে ছোট ছোট টুকরো করে কাটুন।

আলুর টুকরোগুলো অ্যাপেল সাইডার ভিনেগারের সঙ্গে মিশিয়ে ভালো করে ব্লেন্ড করুন বা মিহি করে বেটে নিন। মিশ্রণটি সামান্য পানি দিয়ে পাতলা করে নিন। এবার এই মিশ্রণটি একটি আইস ট্রেতে ঢেলে ডিপ ফ্রিজে ৩-৪ ঘণ্টা রেখে দিন।

ক্লিনজার বা সামান্য হালকা গরম পানি দিয়ে মুখ ভালো করে পরিষ্কার করে নিন। এবার বরফ হয়ে যাওয়া আলু (potato) আর অ্যাপেল সাইডার ভিনেগারের মিশ্রণের টুকরো নিয়ে ত্বকের উপর (বিশেষ করে ব্ল্যাকহেডস (blackheads) আক্রান্ত স্থানে) মালিশ করুন।

দিনে ২-৩ বার এই পদ্ধতিতে আলু (potato আর অ্যাপেল সাইডার ভিনেগারের মিশ্রণটি দিয়ে ত্বকের ব্ল্যাকহেডস (blackheads) আক্রান্ত স্থানে মালিশ করতে পারলে সপ্তাহ দুয়েকের মধ্যেই সমস্যা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে।

আরো পড়ুন, বেশি খাওয়ার প্রবণতা কমায় খেজুর –

আমাদের অনেকেরই পছন্দের ফলের তালিকায় থাকে খেজুর। তবে খেজুর যারা ভালোবাসেন তারা হয়ত খেজুর খেলে কী কী শারীরিক সমস্যা দূর হয় এই বিষয়টি জানতেন না? আর যারা পছন্দ করেন না তারাও আজ থেকে খেতে শুরু করুন খেজুর। কারণ খেজুরের উপকারিতা গুলো জানলে অবশ্যই আপনি খেজুর খেতে না করবেন না। এক নজরে দেখা নিন সেই গুণাবলী-

১। বহু যুগ ধরেই কার্যকরী ল্যাক্সাটিভ হিসেবে খেজুর ব্যবহার করা হয়। কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা ছাড়াও বদহজম, অ্যাসিডিটি এমনকি পাকস্থলীর আলসারেও উপশম আনে খেজুর। ২। রক্তে খারাপ কোলেস্টোরলের মাত্রা কমিয়ে হৃদরোগের আশঙ্কা কমায়। এছাড়া সোডিয়ামের মাত্রা (একশো গ্রামে মাত্র ২ মিলিগ্রাম) কম থাকায় এবং পটাসিয়ামের মাত্রা (প্রতি একশো গ্রামে ৬৫৬ মিলিগ্রাম) বেশি থাকায় হৃদযন্ত্রের পেশির সক্রিয়তা বাড়িয়ে তোলে খেজুর।

৩। উচ্চমাত্রায় ম্যাগনেসিয়াম এবং পটাসিয়াম থাকার কারণে শরীরে জলের ভারসাম্য রক্ষা করে খেজুর। স্নায়ুবিক দুর্বলতার সমস্যা কাটাতে খেজুরের জুড়ি মেলা ভার। ৪। প্রচুর ক্যালসিয়াম থাকায় দাঁতের রোগে উপকার করে খেজুর। নাইট ব্লাইন্ডনেস বা রাত্রিকালীন অন্ধত্বের সমস্যা মেটায়।

৫।জৈব সালফার থাকার কারণে বিভিন্ন ভাইরাল, ফাঙ্গাল, ব্যাক্টেরিয়াল সংক্রমণ দূর করে খেজুর। বিভিন্ন ফুসফুসের সংক্রমণও মোকাবিলা করতে সাহায্য করে খেজুর। ৬। যারা সারাদিন শুধু খাই খাই রোগে ভোগেন, এক সঙ্গে বেশি খাওয়ার প্রবণতা অনেকটাই কমে যায় নিয়মিত খেজুর খেলে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *